দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এ উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ওয়েবসাইটে এ-সংক্রান্ত সরকারি নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত পরিবেশন, স্বরচিত কবিতা পাঠ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। আলোচনা সভায় ইসলামের শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদার বিষয়গুলো তুলে ধরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মসূচির অংশ হিসেবে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংবাদপত্রগুলোকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশেরও অনুরোধ করা হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক আইল্যান্ড, লাইটপোস্ট, স্থান ও সড়ক জাতীয় পতাকা, রঙিন পতাকা এবং ‘কালিমা তাইয়্যিবা’ লেখা ব্যানারে সজ্জিত করা হবে।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন এবং সশস্ত্র বাহিনীর সব স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। এদিন সরকারি ছুটিও থাকবে। বাংলাদেশ সচিবালয় মসজিদসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা এবং সশস্ত্র বাহিনী নিজ নিজ এলাকায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার ও টকশো প্রচার করা হবে। পাশাপাশি কেরাত, হামদ-নাত, স্বরচিত কবিতা পাঠসহ শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং আরবিতে খুতবা লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।