ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : ডুমুরিয়ায় থুকড়া ইসলামিয়া ওয়াজেদিয়া দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচন কে কেন্দ্র করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় মেতে উঠেছে ঘাপটি মেরে থাকা স্থানীয় কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। কতিপয় নামধারী বিএনপিকে সাথে নিয়ে ওই আওয়ামী লীগ নেতারা সুপারের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার ও হুমকি ধামকি দিয়ে ওই পদে চেপে বসার চেষ্টা অব্যাহতও রয়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবক মহলের।এ নিয়ে অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে মাদ্রাসা সুপার,শিক্ষক প্রতিনিধি ও একাধিক অভিভাবকের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার ঐতিহ্যবাহী থুকড়া ইসলামিয়া ওয়াজেদিয়া দাখিল মাদ্রাসায় পরিচালনা পর্ষদের এডহক কমিটি গঠনের লক্ষ্যে উপস্থিত সকলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সভাপতি হিসেবে এসএম সরোয়ার হোসেন, শেখ হাবিবুর রহমান ও এসএম আরজু আহমেদ কে প্রস্তাব করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কথা হয় মাদ্রাসা সুপার আব্দুল হান্নানের সাথে। তিনি বলেন, এলাকাবাসী,অভিভাবক, স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দসহ দেড় শতাধিক লোকজন মাদ্রাসায় এসে এসএম সরোয়ার হোসেন, শেখ হাবিবুর রহমান ও এসএম আরজু আহমেদের নাম প্রস্তাব করেন। অনুরুপ ভাবে কতিপয় ব্যক্তি এসে সোহরাব হোসেনের নামও প্রস্তাব করেন।
এরপর অভিভাবক ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে এসএম সরোয়ার হোসেন, শেখ হাবিবুর রহমান ও এসএম আরজু আহমেদ কে প্রস্তাব করে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে কতিপয় ওই ব্যক্তিরা আমাকে নিয়ে নানা অপপ্রচার ও হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে। ঘটনা প্রসঙ্গে কথা অভিভাবক শেখ ফারুক হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, হাফিজুর রহমান ও মিনারুল ইসলামের সাথে।তারা জানান, স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা কতিপয় নামধারী বিএনপিকে সাথে নিয়ে সোহরাব হোসেন কে ওই পদে বসাতে উঠে পড়ে লেগেছে।
তারা আরও জানান, আওয়ামী লীগ আমলে ওই মাদ্রাসা এসএমসি নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরও বিএনপি নেতা হওয়ার কারণে তাকে বসতে দেয়া হয়নি।এবারও বসতে না দেয়ার পায়তারায় তারা মেতে উঠেছে। স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নুরুজ্জামান কিসলু বলেন, সোহরাব হোসেন অদক্ষ, অযোগ্য ও আওয়ামী লীগ নেতা। এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা কিছুতেই মেনে নেবে না। তিনি আরও বলেন, সুপার সকলের সাথে কথা বলে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করেছেন।