September 18, 2026, 10:59 pm
শিরোনাম:
যশোর মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা কেশবপুরে বিএনপি নেতা মরহুম আবু’র রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল আশ্বিনের শুরুতেই আন্দামানে লঘুচাপের পূর্বাভাস, ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা খুলনায় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে দু’দিন ব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষন কর্মশালা ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরের নীলগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচিতে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য সাতক্ষীরায় আফজাল করিমের জানাজায় এমপি-সহ বিশিষ্টজনের উপস্থিতি ফিক্সিংকাণ্ডে বিপিএলের আরও দুই কর্মকর্তা নিষিদ্ধ দেশে মানহীন ওষুধ উৎপাদন বন্ধে নজরদারি বাড়ছে রাজস্ব আয় কম, ঋণের নতুন উৎস খুঁজছে সরকার নাচের অভিনব পরিবেশনায় ভিন্নরূপে তামান্না ভাটিয়া

ঘুমের সমস্যা কমাতে যে ব্যায়াম কাজে আসতে পারে

Reporter Name

রাতে ঘুম আসতে দেরি হওয়া, বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়া বা সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত লাগার সমস্যা অনেকেরই রয়েছে। মানসিক চাপ, অনিয়মিত জীবনযাপন, দীর্ঘ সময় মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার এবং শারীরিক পরিশ্রমের অভাব ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত ব্যায়াম ঘুমের মান উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে। এর মধ্যে স্ট্রেংথ ট্রেনিং বা পেশি শক্তিশালী করার ব্যায়ামও উপকারী হতে পারে।

স্ট্রেংথ ট্রেনিং বা পেশি শক্তিশালী ব্যায়াম কেন উপকারী

নিয়মিত স্ট্রেংথ ট্রেনিং শরীরকে গভীর ও আরামদায়ক ঘুমের জন্য প্রস্তুত করতে পারে। একই সঙ্গে ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে এবং শরীর ও মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে। নিয়মিত শরীরচর্চা ঘুম ও জেগে থাকার স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতেও সহায়ক হতে পারে।

কী ধরনের ব্যায়াম করবেন

জিমে না গিয়েও বাড়িতে স্ট্রেংথ ট্রেনিং শুরু করা যায়। স্কোয়াট, লাঞ্জ, দেয়ালে ভর দিয়ে পুশ-আপ এবং প্ল্যাঙ্কের মতো ব্যায়াম করা যেতে পারে। শুরুতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ব্যায়াম করাই যথেষ্ট। অভ্যাস হয়ে গেলে ধীরে ধীরে সময় ও ব্যায়ামের মাত্রা বাড়ানো যায়। পরে প্রয়োজন হলে রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড বা হালকা ডাম্বেল ব্যবহার করা যেতে পারে।

সপ্তাহে কত দিন

শুরুতে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং করা যেতে পারে। প্রতিদিন কঠিন ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই। ব্যায়ামের পর শরীরকে বিশ্রাম ও সেরে ওঠার সুযোগ দেওয়া জরুরি। স্ট্রেংথ ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি নিয়মিত হাঁটা বা সাইকেল চালানোর মতো মাঝারি মাত্রার ব্যায়ামও করা যেতে পারে।

ব্যায়ামের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ

প্রতিদিন সম্ভব হলে একই সময়ে ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। এতে নিয়মিত রুটিন বজায় রাখা সহজ হয়। তবে ঘুমানোর একেবারে আগে অতিরিক্ত ভারী ব্যায়াম না করাই ভালো। শরীরের সক্ষমতা অনুযায়ী ব্যায়ামের সময় ও মাত্রা ঠিক করা উচিত।

ঘুমের অভ্যাসও ঠিক রাখতে হবে

শুধু ব্যায়াম করলেই ঘুমের সমস্যা পুরোপুরি দূর হবে, এমন নয়। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া ও ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করতে হবে। রাতে শোয়ার আগে মোবাইল, কম্পিউটার বা অন্যান্য স্ক্রিনের ব্যবহার কমানো এবং ঘুমের পরিবেশ শান্ত ও আরামদায়ক রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

নিয়মিত শরীরচর্চার পরও যদি দীর্ঘদিন ঘুমাতে সমস্যা হয়, রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায়, খুব জোরে নাক ডাকে বা দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম ঘুম ভাব থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এসব সমস্যার পেছনে অন্য কোনো শারীরিক বা ঘুমজনিত সমস্যা থাকতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি