September 19, 2026, 2:01 pm
শিরোনাম:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলের মরদেহ উদ্ধার ওসি রাশেদুল আলমের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে কয়রার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মেলায় যাওয়া নিয়ে অভিমান, গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্য কেশবপুরে সর্পদংশন সচেতনতা দিবস পালিত যশোর মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-শেখ শাহিনুর প্রতিবেশী ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্কের জন্য যা করণীয় তপু বর্মণকে ছাড়াই আসিয়ান কাপের দল চূড়ান্ত বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে ভারত, ঢাকার ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে জয়সওয়াল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ফের তারেক রহমানের দিল্লি সফর আয়োজনের চেষ্টা

মেলায় যাওয়া নিয়ে অভিমান, গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্য

Reporter Name

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি ; খুলনার কয়রা উপজেলায় মেলায় যাওয়া নিয়ে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে ঝর্ণা খাতুন (২৫) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রথমে জানা গেলেও তাঁর মৃত্যু নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ৫ নম্বর কয়রা ইউনিয়নের পল্লীমঙ্গল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ঝর্ণা ওই গ্রামের সুন্দরবনের জেলে জাহাঙ্গীর সরদারের স্ত্রী। তাঁদের আট মাস বয়সী একটি শিশুসহ এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, ঝর্ণার গলায় এমন কিছু আলামত দেখা গেছে, যা দেখে তাঁদের মধ্যে মৃত্যুর কারণ নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে। তাঁদের কেউ কেউ ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ডএ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের কোনোটি এখনো নিশ্চিত নয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের বৃক্ষ মেলায় যাওয়ার জন্য স্বামীর কাছে আবদার করেছিলেন ঝর্ণা। বৃহস্পতিবার বৃষ্টির কারণে মেলায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। শুক্রবার জুমার নামাজের পর তাঁকে মেলায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নামাজ শেষে জাহাঙ্গীর ঘুমিয়ে পড়ায় মেলায় যেতে দেরি হয়। এর পরই ঝর্ণা অভিমান করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।

কয়রা সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সরদার লুৎফর রহমান বলেন, মেলায় যাওয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মান-অভিমান হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। এদিকে, আট মাস বয়সী দুধের শিশুকে রেখে ঝর্ণা আত্মহত্যা করতে পারেন কি না এ নিয়েও স্থানীয় কয়েকজন প্রশ্ন তুলেছেন। তবে এ ধরনের প্রশ্নের ভিত্তিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তের ভিত্তিতে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝর্ণার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি তাঁকে হত্যা করা হয়েছে এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।