September 19, 2026, 1:43 pm
শিরোনাম:
ওসি রাশেদুল আলমের উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে কয়রার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মেলায় যাওয়া নিয়ে অভিমান, গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে রহস্য কেশবপুরে সর্পদংশন সচেতনতা দিবস পালিত যশোর মুক্তেশ্বরী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদের মাসিক সাহিত্য সভা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় গণসংযোগ ও কুশল বিনিময় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী-শেখ শাহিনুর প্রতিবেশী ভারত-বাংলাদেশ সুসম্পর্কের জন্য যা করণীয় তপু বর্মণকে ছাড়াই আসিয়ান কাপের দল চূড়ান্ত বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে ভারত, ঢাকার ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে জয়সওয়াল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে ফের তারেক রহমানের দিল্লি সফর আয়োজনের চেষ্টা প্রেম করে বিয়ে বিষপানে স্বামীর মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি স্ত্রী

কেশবপুরে সর্পদংশন সচেতনতা দিবস পালিত

Reporter Name

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি : ‘সাপে কাটলে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও দ্রুত চিকিৎসা’ এই বার্তাকে সামনে রেখে যশোরের কেশবপুরে সর্পদংশন সচেতনতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত র‍্যালিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অংশ নেন। র‍্যালিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়।

পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্পদংশন বিষয়ে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ রেহনেওয়াজসহ হাসপাতালের বিভিন্ন পর্যায়ের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা ও উষ্ণ মৌসুমে সাপের আনাগোনা বাড়ায় গ্রামাঞ্চলে সর্পদংশনের ঘটনা ঘটতে পারে। তবে সাপে কাটার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। তাই সর্পদংশনের শিকার ব্যক্তিকে শান্ত রেখে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতালে নেওয়া জরুরি।

বক্তারা আরও বলেন, সাপে কাটার পর ওঝা, কবিরাজ, ঝাড়ফুঁক বা কুসংস্কারের ওপর নির্ভর করে সময় নষ্ট করা উচিত নয়। কারণ দ্রুত ও সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা গেলে সর্পদংশনে মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সুস্থ করে তোলার সুযোগ রয়েছে।
তারা আরও বলেন, সাপের কামড়ের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া, আক্রান্ত ব্যক্তিকে অযথা হাঁটাচলা না করানো এবং কোনো ধরনের কুসংস্কার বা ভুল চিকিৎসার আশ্রয় না নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সাপের কামড় প্রতিরোধে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, রাতে চলাচলের সময় সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

সভায় সর্পদংশন নিয়ে প্রচলিত নানা ভুল ধারণা দূর করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়। স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারলে সর্পদংশন জনিত মৃত্যুর ঝুঁকি কমানো সম্ভব। তাই সাপে কাটার ঘটনা ঘটলে কোনো ধরনের গুজব বা কুসংস্কারে কান না দিয়ে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।