November 2, 2026, 4:21 am

খুলনায় সাবেক এমপি, কাউন্সিলর-আ.লীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

Reporter Name

খুলনায় সাবেক সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর, আওয়ামী লীগ নেতা এবং মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন এবং অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান, খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, তার স্বামী ও খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদ এবং মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডার ও তার স্ত্রী ডলি ভান্ডার।সোমবার বিকেলে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, খুলনায় মামলাগুলো দায়ের করা হয়। কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদী হয়ে তিনটি এবং উপসহকারী পরিচালক আশিকুর রহমান বাদী হয়ে অপর দুটি মামলা করেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামানের বিরুদ্ধে ৭৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মো. ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে দলীয় পদ ব্যবহার করে এক কোটি ১৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পৃথক মামলা করেছে দুদক।

এ ছাড়া স্বামীর সহায়তায় নিজের নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩৬ লাখ ৯১ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন ও তা নিজের মালিকানায় রাখার অভিযোগে সাবেক কাউন্সিলর মেমরী সুফিয়া রহমান শুনুর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় স্ত্রীর নামে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে তার স্বামী শেখ মো. ফারুক আহমেদকেও আসামি করা হয়েছে।

মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক বিধান কুমার ভান্ডারের বিরুদ্ধে ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে একটি মামলা করেছে দুদক।অন্যদিকে, স্বামীর অর্জিত এক কোটি আট লাখ টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ নিজের মালিকানায় রেখে ভোগদখলে রাখার অভিযোগে তার স্ত্রী ডলি ভান্ডারের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করা হয়েছে। দুদকের তথ্য অনুযায়ী, পাঁচটি মামলার মধ্যে তিনটিতে শেখ মো. ফারুক আহমেদ, মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু ও মো. রশীদুজ্জামানকে পৃথকভাবে আসামি করা হয়েছে। বাকি দুটি মামলার একটিতে বিধান কুমার ভান্ডার এবং অন্যটিতে তার স্ত্রী ডলি ভান্ডারকে আসামি করা হয়েছে।