September 22, 2026, 12:54 pm
শিরোনাম:
কলারোয়ায় ইউনিয়ন মাল্টি-স্টেকহোল্ডার প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক পুষ্টি পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে দুই অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু, মেলেনি আইসিইউ মনে মনে নাকি জোরে জোরে? কীভাবে পড়লে বেশি মনে থাকে পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জও জিততে পারল না জ্যোতিরা বিশ্বজুড়ে ডিজেলসংকট, স্বস্তি মিলবে না ২০২৭ সালেও আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা খুলনায় ফিড কারখানা নয়, পাটকল চালুর দাবি খুলনা নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আজমুল হোসেনের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ খুলনায় কুরিয়ারকর্মীকে দুর্বৃত্তদের গুলি খুলনায় আবাসিক হোটেলে যুবকের লাশ, সঙ্গে থাকা নারী আটক

পাকিস্তানের কাছে হেরে ব্রোঞ্জও জিততে পারল না জ্যোতিরা

Reporter Name

মিষ্টি রোদের সঙ্গে সবুজের আবাহন। করোগি স্পোর্টস পার্ক সুন্দর্যে শুধুই মুগ্ধতা ছড়ায়। অথচ নাগোয়ার এই চোখ ধাঁধানো গ্রাউন্ডে রংহীন বাংলাদেশের মেয়েরা। ব্রোঞ্জ পদকের স্বপ্নভঙ্গ নিগার সুলতানা জ্যোতিদের। এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেটে ব্যাটিং ব্যর্থতায় পাকিস্তানের কাছে ৩১ রানে হেরেছে সারোয়ার ইমরানের দল। এই হারে গত আসরের অর্জিত ব্রোঞ্জ পদকটি এবার হাতছাড়া করল বাংলাদেশ। পাকিস্তানের ১৪৬ রানের টার্গেটে বাংলাদেশ করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১১৪ রান।

ফ্লাট উইকেট। যেখানে আগের ম্যাচগুলোতে হয়েছে রান উৎসব। তাই টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানা। তার এ সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমান করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার শাওয়াল জুলফিকার এবং গুল ফিরোজা। ওপেনিংয়ে ৪৬ রান যোগ করেন তারা। ফিরোজাকে বোল্ড করে বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রো এনে দেন নাহিদা আক্তার। তার সঙ্গে স্বর্না আক্তার, মেঘলা, রিতু মনির অসাধারন বোলিংয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় পাকিস্কান। এক পর্যায়ে ৬৭ রাত তুলতেই ৫ উইকেট হারায় তারা। বোলিং এবং ফিল্ডিংয়ে অসাধারন পারফরম্যান্স করা বাংলাদেশ চলে আসে চালকের আসনে।

এক সময় মনে হয়েছিল এক’শ রানের মধ্যে পাকিস্তানকে আটকে ফেলতে পারবে বাংলার মেয়েরা। কিন্তু অধিনায়ক ফাতিমা একাই বদলে দেন ম্যাচের দৃশ্যপট। বাংলাদেশের স্পিনার এবং পেসারদের সব প্রচেষ্টা বিফল হয়ে যায় ফাতিমার অসাধারন ইনিংসের কাছে। কখনো মাটি কামড়িয়ে আবার কখনো বা ওভার বাউন্ডারিতে বল সীমানার বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। তাকে ভালো সঙ্গ দেন আলিয়া রিয়াজ। ষষ্ঠ উইেকেট এ দুজন মিলে যোগ করেন ৬৭ রান।

বিপজ্জনক এই জুটি ভাঙ্গেন রিতু মনি। তার স্পিনে পরাস্ত হওয়া আলিয়াকে স্ট্যাম্পিং করেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। আউট হওয়ার আগে ২২ বলে ২৫ রান করেন তিনি। অন প্রান্তে ফাতিমা ছিলেন দুর্দান্ত। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। তার ইনিংসটি সাজানো ছিল ৩টি চার এবং ৩টি ছয়ের সৌজন্যে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের পক্ষে নাহিদা, স্বর্না এবং রিতু মনি সমান ২টি করে উইকেট নেন।

ব্যাটিং সহায়ক উইকেট বলে ১৪৬ রানের টার্গেট খুব একটা বেশি ছিল না। তবে ইনিংসের সূচনাটা বাংলাদেশের ভালো হয়নি। দলীয় ১২ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন জুরাইরা ফেরদৌস। ওড়িয়ে মারতে গিয়ে সায়েরা জেবিনের অসাধারন ক্যাচে আউট হন ওপেনার দিলারা আক্তার। মাত্র ১৮ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। দিলারার মতো একই ভাবে মারতে গিয়ে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন সুবহানা মুস্তারি। ব্যাটসম্যানদের আত্নাহুতিতে ২০ রানে হারায় ৩ উইকেট। পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে মাত্র ২৫ রান।

টি২০ অধিনায়ক হিসেবে শেষ ম্যাচে খেলতে নামা নিগার সুলতানার দিকে তাকিয়ে ছিলো সবাই। চতুর্থ উইকেটে শারমীন আক্তারের সঙ্গে ৪৭ রানের জুটিও গড়েন। কিন্তু এই জুটিটা ছিল মন্থর। সময়ের দাবি মেটানো ইনিংস খেলতে পারেননি দু’জনের কেউই। নেট রান রেট কমাতে গিয়ে আয়েশা জাফলের বলে লেগ বিফোর জন জ্যোতি। আউট হওয়ার আগে ৩০ বলে করেন ২৫ রান। বাংলাদেশেও চলে যায় ব্যাকফুটে। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আর কোনো ব্যাটার অতিমানবীয় ইনিংস খেলতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে সুপ্তার ব্যাট থেকে।