September 20, 2026, 2:50 am
শিরোনাম:
ক্রিকেটারদের দলবদলে ফিরতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ উগ্রপন্থি গ্রুপের ১২ জনকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়ে ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু কেন্দ্রীয় কমিটির ভার্চুয়াল সভা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৯ দফা দাবি ইরানে পণ্যের অস্বাভাবিক দাম, যুদ্ধ বন্ধে তৎপরতা অব্যাহত কখন বুঝবেন সম্পর্ক ভেঙে যাচ্ছে? কেশবপুরে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ১১ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার… দেশে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু, পাওয়া যাবে ৪ হাজার টাকায়: অর্থমন্ত্রী রূপসায় বৈঠার ছন্দে মুখরিত বান্ধাখাল, ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত পশ্চিম শোভনা ইউরেকা ক্লাব ও ভায়না সবুজ সংঘের হাডুডু ম্যাচ অনুষ্ঠিত

ক্রিকেটারদের দলবদলে ফিরতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’

Reporter Name

প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের দলবদলে আবারও ফিরে আসতে পারে ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতি। অর্থাৎ, দলবদলে ক্রিকেটাররা তাঁদের দাম হাঁকাতে পারবেন না। সিসিডিএমই ঠিক করে দেবে কার দাম কত, সে অনুযায়ী হবে খেলোয়াড়দের শ্রেণিবিন্যাস। এরপর সেখান থেকে নির্দিষ্ট দামে খেলোয়াড় বেছে নিয়ে দল গঠন করবে ক্লাবগুলো।

এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি, এমনকি ক্লাবগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনাও হয়নি সিসিডিএমের। তবে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দলবদল ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েসে’ই হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এর আগে ২০১২–১৩ এবং ২০১৫–১৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগের দলবদল ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস’ পদ্ধতিতে হয়েছিল।

বিসিবির কাছ থেকে আভাস পেয়ে এ নিয়ে গতকাল নিজেদের মধ্যে একটা সভা করেছে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াব। তবে এ পদ্ধতিতে দলবদলের পক্ষে বা বিপক্ষে কোনো অবস্থানই এখনো নেয়নি সংগঠনটি। বিষয়টি নিয়ে তারা আরও বিশদ আলোচনা করতে চায়। খেলোয়াড়দের শ্রেণিবিন্যাস কেমন হবে, পারিশ্রমিক কত হবে এসব দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কোয়াব। তবে জানা গেছে, দলবদল নিয়ে এখন পর্যন্ত ক্রিকেটারদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেনি ক্লাবগুলো।

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েসে’র পক্ষে সিসিডিএমের যুক্তি এতে নাকি খেলোয়াড়দের আর্থিক নিশ্চয়তা বাড়বে। প্রায় প্রতি মৌসুম শেষেই ক্রিকেটারদের ক্লাব থেকে প্রতিশ্রুত পারিশ্রমিক না পাওয়ার অভিযোগ ওঠে। প্লেয়ার্স বাই চয়েস পদ্ধতিতে ক্রিকেটার ক্লাব সিসিডিএম ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ক্লাব পারিশ্রমিক না দিলে বিসিবি সেই দায়িত্ব নেবে। সঙ্গে আরেকটি যুক্তি এই পদ্ধতিতে দলবদল হলে ক্লাবগুলোর মধ্যে শক্তির ব্যবধান কমে আসবে। প্রিমিয়ার লিগ আরও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে।

কিন্তু বিপিএলে খেলোয়াড়দের বকেয়া পারিশ্রমিক বিসিবির ঘাড়ে এসে পড়ে বলে যেখানে দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টই এবার হচ্ছে না, সেখানে প্রিমিয়ার লিগে কেন সেই বিসিবিই ক্লাবের বকেয়ার দায় নেবে? এ প্রশ্নের উত্তরে বিসিবির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা অবশ্য বলেন, ‘প্লেয়ার্স বাই চয়েস নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তবে ক্লাবের বকেয়ার দায় বিসিবি নেবে; এমন কোনো আলোচনার কথা শুনিনি। ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও বাস্তবভিত্তিক চিন্তা নয়।’

এ পদ্ধতিতে দলবদল হলে অল্প পারিশ্রমিকে খেলা ক্রিকেটারদের জন্য কিছুটা সুবিধা হবে ঠিক; তবে বেশির ভাগ ক্রিকেটারের পারিশ্রমিকই শৃঙ্খলে বাঁধা পড়তে পারে। ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে এ নিয়ে তাঁদের উদ্বেগও টের পাওয়া গেছে। বিপিএল হবে না বলে এমনিতেই আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন অনেক ক্রিকেটার, এখন যদি প্রিমিয়ার লিগেও বিসিবির ঠিক করা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিকে খেলতে হয়; সেটা নাও মানতে পারেন অনেক ক্রিকেটার।

খেলোয়াড়দের টাকা দিতে বেশির ভাগ ক্লাব বরাবরই গড়িমসি করলেও প্রতি মৌসুমে বিসিবির কাছ থেকে তাদের প্রাপ্তিযোগ কিন্তু কম নয়। গত বছর এক ধাক্কায় ১০ লাখ টাকা বেড়ে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলোর জন্য বিসিবির অনুদান এখন ২৫ লাখ টাকা করে। এ ছাড়া দুই লাখ টাকা করে দেওয়া হয় জার্সি ও অন্যান্য সরঞ্জাম কেনা বাবদ। গত মৌসুম থেকে তো ম্যাচের দিন দুপুরের খাবার এবং যাতায়াতের ব্যবস্থাও করে দিচ্ছে সিসিডিএম। প্রাইজমানি হিসেবেও ভালো অঙ্কের টাকা পায় ক্লাবগুলো।