September 17, 2026, 9:39 pm
শিরোনাম:
কেশবপুর ১২২ জন ডেঙ্গু রোগ আক্রান্ত নেই মশা নিধনের কার্যক্রম সাগরদাঁড়িতে আনসার-ভিডিপির স্বেচ্ছাশ্রমে মশা নিধন কেশবপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক মহিলার আত্মহত্যা দিঘলিয়ায় স্কুল বন্ধ নয়, কুকুরের ভয়ে সিঁড়ির গেটে তালা দিয়ে উপরে চলছে ক্লাস মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন মো. রনি ইসলাম ডুমুরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে এক লক্ষ আট হাজার টাকা জরিমানা আদায় জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩ শিক্ষার্থী সাংগঠনিক কিংবা রাজনৈতিক মাঠ পর্যায়ে গুছিয়ে উঠতে পারছে না বিএনপি ভয়ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ, দুই বছরেও স্বপদে ফিরতে পারেননি-অধ্যক্ষ অদ্রীস আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

কক্সবাজারের হোটেলকক্ষে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল পুলিশ সদস্যের মরদেহ

Reporter Name

কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষ থেকে আতাউল কবির (৪৪) নামের এক পুলিশ সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন।শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ঢাকা আবাসিক হোটেলের চতুর্থ তলার ৪০১ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে একাই হোটেলে আসেন আতাউল কবির। পরে তিনি ৪০১ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলের নথি অনুযায়ী, আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে তাঁর কক্ষ ছাড়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি কক্ষ থেকে বের না হওয়ায় হোটেলকর্মীদের সন্দেহ হয়। কয়েক দফা দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনো সাড়া না পেয়ে তাঁরা বিষয়টি কক্সবাজার সদর থানায় জানান।

বিকেল চারটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এ সময় সিলিং ফ্যানের সঙ্গে আতাউল কবিরের মরদেহ ঝুলতে দেখা যায়। ঘটনাস্থল থেকে তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্র, পুলিশ পরিচয়পত্র, চিকিৎসার কাগজপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ব্যক্তিগত মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।

 

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না। বিষয়টি অনুসন্ধান করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। হোয়াইক্যং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আবছার বলেন, আতাউল কবির ওই ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের মধ্যে ছিলেন বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।