September 17, 2026, 10:06 pm
শিরোনাম:
কেশবপুর ১২২ জন ডেঙ্গু রোগ আক্রান্ত নেই মশা নিধনের কার্যক্রম সাগরদাঁড়িতে আনসার-ভিডিপির স্বেচ্ছাশ্রমে মশা নিধন কেশবপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক মহিলার আত্মহত্যা দিঘলিয়ায় স্কুল বন্ধ নয়, কুকুরের ভয়ে সিঁড়ির গেটে তালা দিয়ে উপরে চলছে ক্লাস মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন মো. রনি ইসলাম ডুমুরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে এক লক্ষ আট হাজার টাকা জরিমানা আদায় জবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩ শিক্ষার্থী সাংগঠনিক কিংবা রাজনৈতিক মাঠ পর্যায়ে গুছিয়ে উঠতে পারছে না বিএনপি ভয়ভীতি দেখিয়ে পদত্যাগ, দুই বছরেও স্বপদে ফিরতে পারেননি-অধ্যক্ষ অদ্রীস আনিসুল হকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুদক

কলকাতায় আগুনে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ নিতে বেনাপোলে

Reporter Name

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে আসার কথা রয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুপুর নাগাদ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো দেশে পৌঁছানোর কথা। মরদেহ গ্রহণ করতে বেনাপোলে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে অপেক্ষা করছেন স্বজনেরা। গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা ইন হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। এ ঘটনায় নয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি নাগরিক।

বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে যে পাঁচজনের মরদেহ দেশে আসছে, তারা হলেন কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তিন বছরের ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্ত, শ্বশুর আকরাম আলী এবং সাভারের ব্যবসায়ী জোবায়ের বাবু। নিহতদের ময়নাতদন্ত ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দুই দেশের প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাভারের ব্যবসায়ী জোবায়ের বাবু অগ্নিকাণ্ডের দুই দিন আগে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়েছিলেন। সেখানে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ওই হোটেলে আগুনে তার মৃত্যু হয়।

ভাইয়ের মরদেহ গ্রহণ করতে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে বেনাপোলে এসেছেন জোবায়ের বাবুর বড় ভাই মোহাম্মাদ আলী। তিনি বলেন, ‘গতকাল বিকেলে ভাইয়ের মরদেহ নিতে বেনাপোলে এসেছি। শুক্রবার সন্ধ্যার পর মরদেহ দেশে আসার কথা ছিল। কিন্তু ছাড়পত্রের জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। আজ শনিবার ভোরে আসার কথা থাকলেও শুনছি দুপুর নাগাদ মরদেহ হাতে পাব।’

কুষ্টিয়ার সাংবাদিক দেবাশীষ দত্তের পরিবারের চারজনের মরদেহও বেনাপোল দিয়ে দেশে আসছে। মরদেহ দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে তার শ্যালক ফিরোজ হাসান কলকাতায় অবস্থান করছেন। কলকাতায় থাকা দেবাশীষের আত্মীয় সঞ্চয় ঘোষ ও কাঞ্চন নন্দীও এ কাজে সহযোগিতা করছেন।

এদিকে দেবাশীষের মরদেহ গ্রহণ করতে কুষ্টিয়া থেকে তার সহকর্মী সাংবাদিক ও স্বজনেরা বেনাপোল বন্দরে অপেক্ষা করছেন। পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, দেবাশীষ দত্ত ও তার ছেলে স্বর্ণাশীষ দত্তের মরদেহ হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী সৎকার করা হবে। আর দেবাশীষের স্ত্রী আফসানা শারমীন ও শ্বশুর আকরাম আলীর মরদেহ ইসলামি রীতি অনুযায়ী দাফন করা হবে।

কলকাতার ওই অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ ভোমরা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরত আনার কথা রয়েছে। নিহত আরেক বাংলাদেশি রেবতী সরকারের মরদেহ পরিবারের ইচ্ছায় ভারতে সৎকার করা হবে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস হোসেন বলেন, মরদেহ গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বেনাপোল সীমান্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।