September 20, 2026, 4:47 pm
শিরোনাম:
ডুমুরিয়ায় নিজ বাড়ির বারান্দায় যুবককে কুপিয়ে জখম কেশবপুর প্রেসক্লাব দখল ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ/ ৫ জন হাসপাতালে বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক: দুদক সাতক্ষীরার সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার বটিয়াঘাটায় মোটর চুরির ঘটনার কথাকাটাকাটির জেরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ বটিয়াঘাটায় দুই বছর ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা কেশবপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সুলতানা আহমেদ এর মতবিনিময় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বড় নিয়োগ, পদ ৩০১টি ভারতের কাছে হেরে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ রূপায়ণ সিটি ঘুরে গেল আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল

চিরনিদ্রায় অপ্রতিম, ছেলের হত্যার বিচার চেয়ে কাঁদলেন বাবা

Reporter Name

দ্বিতীয় দফা জানাজা শেষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে দাফন করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতিতে তাদের বাসার পাশের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা ও দাফনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অপ্রতিমের সহপাঠী, স্বজন ও স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন। অপ্রতিম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। ১৩ বছর বয়সী এই শিশুর মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে পরিবার ও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে।

ছেলের দাফনের পর কান্নাজড়িত কণ্ঠে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার বলেন, আমার আর নতুন করে কিছু বলার নেই। আমি কেবল আমার সন্তান হত্যার উপযুক্ত বিচার দেখতে চাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর এখনো পর্যন্ত আমার পূর্ণ আস্থা আছে।

তিনি বলেন, সামান্য একটা আইফোনের জন্য আমার ছেলেকে এভাবে হত্যা করা হয়েছে এ কথা আমার মন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছে না। আমার মাত্র ১৩ বছর বয়সী নিষ্পাপ ছেলেটা তো কোনো অপরাধ করেনি। তবে কেন তাকে এভাবে প্রাণ দিতে হলো? এই মুহূর্তে আমি শুধু ঘাতকদের কঠোর বিচার চাই।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ি গন্ধমতি এলাকার নিজ বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে ওই দিনই সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা।

অপ্রতিম নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে খোঁজ চালাতে থাকেন। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ঘেঁষা সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।