গাজী সোহেল আহমেদ, ডুমুরিয়া প্রতিনিধি : খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া সদর ১১ নং ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সকলের সমর্থন, দোয়া ও আশীর্বাদ প্রত্যাশা করছেন প্রবীণ সামাজিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব শেখ আব্দুল কাদের। পিতা মৃত আলহাজ্ব শেখ জয়নাল আবেদীনের সুযোগ্য সন্তান শেখ আব্দুল কাদের দীর্ঘ দিন ধরে ডুমুরিয়া এলাকার সামাজিক, ধর্মীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।
শেখ আব্দুল কাদের ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নে ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৭ সাল পয়ন্ত একটানা ৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড থেকে জনগণের সমর্থনে ৪ বার ইউপি সদস্য (মেম্বার) হিসেবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি এলাকায় বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা, এতিমখানা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত। ডুমুরিয়া মাজিদিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার দীর্ঘ ২৬ বছর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন। এছাড়া ডুমুরিয়া ফুলজান্নেছা তাহফিজুল কুরআন বহুমুখী মাদ্রাসা ও এতিমখানা (যার জন্য ৫৫ বিঘা জমি প্রদান করা হয়েছে), সাজিয়াড়া কওমী মহিলা মাদ্রাসা এবং তারবিয়াতুল উম্মাহ কওমী মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও পৃষ্ঠপোষক।
ডুমুরিয়া সদরে একমাত্র মহিলা আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজেই ১.৭৩ একর জমি দান করেন । হাজী জয়নাল আবেদীন এতিমখানার মাধ্যমে এতিম ও দুস্থ শিক্ষার্থীদের সার্বিক পড়াশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পরিচালনা করছে । তিনি বর্তমানে খুলনা জিরোপয়েন্ট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত সভাপতি এবং ডুমুরিয়া উপজেলা কল্যাণ সমিতির বারবার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছে। আব্দুল কাদের বলেন নির্বাচনে জয়ী হলে ডুমুরিয়া ১১ নং ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক ও প্রকৃত নাগরিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করাবো। এবং বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করে দ্রুততম সময়ে সঠিক বিচার সুনিশ্চিত করা ও ইউনিয়ন পরিষদকে জবাবদিহিতামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলবে।
এলাকার কৃষক ও মৎস্যজীবীদের (বিশেষ করে চিংড়ি ও সাদা মাছ চাষী) প্রশিক্ষণ এবং সরকারি-বেসরকারি সহায়তার মাধ্যমে কৃষি বিপ্লব ঘটানো। যাতায়াতের অযোগ্য গ্রাম্য রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কার ও চলাচলের উপযোগী করা এবং পরিষদ ভবনের আধুনিকায়ন। নারীদের জন্য হাঁস-মুরগি পালন, কুটির শিল্প ও সেলাই প্রশিক্ষণ এবং বেকার যুবকদের টেকনিক্যাল ও কম্পিউটার শিক্ষার ব্যবস্থা করা। তরুণদের সামাজিক অপরাধ, জুয়া ও মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলার পরিবেশ সৃষ্টি করা।
পরিশেষে বলেন সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মুসলিম, সনাতন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান ও শ্মশানের উন্নয়ন নিশ্চিত করে সম্প্রীতি বজায় রাখা।অতীতের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও উন্নয়নমূলক কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ডুমুরিয়া ১১ নং ইউনিয়নকে একটি সমৃদ্ধ মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি ব্যক্ত করেছেন।