September 20, 2026, 4:12 pm
শিরোনাম:
বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক: দুদক সাতক্ষীরার সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার বটিয়াঘাটায় মোটর চুরির ঘটনার কথাকাটাকাটির জেরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ বটিয়াঘাটায় দুই বছর ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা কেশবপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সুলতানা আহমেদ এর মতবিনিময় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বড় নিয়োগ, পদ ৩০১টি ভারতের কাছে হেরে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ রূপায়ণ সিটি ঘুরে গেল আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল লং মার্চে যাওয়ার পথে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম মাতৃত্বের পর চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক: দুদক

Reporter Name

রমজান আলী, বান্দরবান প্রতিনিধি : বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগে মাঠপর্যায়ে তদন্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে জেলার বাকীছড়া এলাকায় বাস্তবায়িত কয়েকটি প্রকল্পের কাজ অনেকটাই সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন দুদক কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বান্দরবান সদর উপজেলার বাকীছড়া এলাকায় মাঠপর্যায়ে প্রকল্প পরিদর্শন ও তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

দুদক সূত্রে জানা যায়, বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গভীর নলকূপ স্থাপন, জিএফএস এবং রেইন ওয়াটার হারভেস্টিংসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ পায় দুদক। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। দুদক কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, “অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে অফিসিয়াল কাগজপত্র যাচাই করা হয়েছে। এরপর মাঠপর্যায়ে এসে বাকীছড়া এলাকায় কয়েকটি প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। আমরা যে কাজগুলো দেখেছি, সেগুলো অনেকটাই সন্তোষজনক মনে হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বান্দরবানের অন্যান্য উপজেলাতেও এসব প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে। সেসব প্রকল্পও পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করা হবে। তদন্ত কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এ বিষয়ে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, দুদক যে প্রকল্পগুলো নিয়ে তদন্ত করছে, সেগুলো মূলত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের। ওই সময়ে বরাদ্দের অর্থ না থাকায় প্রকল্পগুলোর কাজ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সম্পন্ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় নিয়ম-কানুন অনুসরণ করা হয়েছে এবং দুদকের তদন্তে প্রকল্পগুলোর বাস্তব চিত্র উঠে আসবে।