November 6, 2026, 12:27 pm
শিরোনাম:
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নিরলস পরিশ্রমে সেবার মান বেড়েছে নির্বাচনে ভরাডুবির পর হেগসেথ-রুবিওর পদত্যাগের গুঞ্জন নাকচ করল হোয়াইট হাউস বিশ্ববাজারে আবার বাড়ল তেলের দাম সংকটে ১১ দলের ঐক্য এনসিপি কি জামায়াত জোট ছাড়তে চায় শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নিয়ে যে পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস চোখের ভেতর পানি না পৌঁছালে অজু শুদ্ধ হবে কি ? আকুর দায় শোধের পর ৩৫ বিলিয়ন ডলারের নিচে নামলো রিজার্ভ শিশুদেরই গড়তে হবে শক্তিশালী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী কেশবপুরে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্মবার্ষিকী উদযাপন আশাশুনিতে রক্তকরবী মহিলা উন্নয়ন সংস্থার বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ

খর্নিয়ায় ব্যক্তিগত জমির ওপর জোরপূর্বক ইটের সলিং নির্মাণের অভিযোগ

Reporter Name

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের আংগারদাহ গ্রামের দাসপাড়ায় ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে জোরপূর্বক ইটের সলিং রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় কয়েকজন জমির মালিক।
৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দেওয়া আবেদনে অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন, তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ইটের সলিং রাস্তা নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। এ জন্য জমির মালিকদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি বা সম্মতি নেওয়া হয়নি বলেও তারা দাবি করেন।
অভিযোগকারীদের একজন বলেন, “সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে ইটের সলিং রাস্তার কাজ করা হচ্ছে। আমরাও রাস্তা চাই। কিন্তু সম্পূর্ণ আমার জমির ওপর দিয়ে রাস্তা দিতে চাই না। আমার পাশের যে জমির মালিক আছেন, তিনি যতটুকু জমি দেবেন, আমিও ততটুকু জমি দিতে রাজি আছি। কিন্তু সম্পূর্ণ আমার মালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে রাস্তা করতে দিতে চাই না। এতে আমার অনেক ক্ষতি হবে।”
আবেদনকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত রাস্তার অংশটি পরিমল দাশের বাড়ি থেকে রতন দাশের বাড়ি পর্যন্ত। তাদের দাবি, স্থানীয় মানুষের চলাচলের সুবিধার্থে রাস্তা নির্মাণের প্রয়োজন রয়েছে এবং তারা রাস্তা নির্মাণের বিরোধিতা করছেন না। তবে তাদের পুরো ব্যক্তিগত জমির ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ না করে আশপাশের জমির মালিকদের সম্মতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এই রাস্তা আমি দীর্ঘদিন যাবত দেখে আসছি। এই এলাকার মানুষ যাতায়াত করে। কিন্তু এটা কারও ব্যক্তিগত জমি কি না, সে বিষয়ে আমাকে কেউ এখনো কোনো কিছু বলেনি। আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না।”
অভিযোগকারীদের দাবি ও ইউপি সদস্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রাস্তার জায়গার মালিকানা, নির্মাণের অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট জমির মালিকদের সম্মতি নেওয়া হয়েছে কি না—এসব বিষয় যাচাইয়ের প্রয়োজন রয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। প্রশাসনের বক্তব্য পাওয়া গেলে পরবর্তী সময়ে তা প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।