November 3, 2026, 8:03 am
শিরোনাম:
ড্যান্স একাডেমির আড়ালে কেয়া-শরিফুলের ব্ল্যাকমেলিং বাণিজ্য! নিঃস্ব অনেক ব্যবসায়ী কম টাকায় ডিএনসিসি থেকে মশার ওষুধ আনছে কেসিসি রাজনৈতিক জীবনে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সর্বনিম্ন পর্যায়ে: জরিপ ঢাকা-টাঙ্গাইল গাজীপুরে আগুন জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ স্থানীয় নির্বাচনে কাদের মনোনয়ন দেবে বিএনপি, জানালেন রিজভী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ হুমায়ুন কবির পলাশ-এর পিতার দাফন সম্পন্ন আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সন্ত্রাসবিরোধী পলাশসহ গ্রেফতার-৫ ডুমুরিয়ায় পল্লী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ ও কর্মসংস্থান প্রকল্পে নারী কর্মী নিয়োগ সম্পন্ন

১৫ বছর সংসারের পর বিচ্ছেদ, কঠিন পরিস্থিতি অভিনেত্রী-সেলিনা জেটলি

Reporter Name

১৫ বছরের দাম্পত্যের ইতি টানতে গিয়ে কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। অস্ট্রীয় ব্যবসায়ী স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে তাঁর। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ পোস্টে দাম্পত্যের তিক্ত অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনেছেন অভিনেত্রী।

সেলিনার দাবি, বিচ্ছেদের আইনি খরচ বহন করতে না পারলে তাকে পরিচারিকার কাজ করে উপার্জনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সেলিনার ভাষ্য, চার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে স্বামীর সঙ্গে আলাদা হতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার সেই অনুরোধে সাড়া মেলেনি। বরং বিচ্ছেদের প্রক্রিয়ায় তাকে নানা প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী।

পিটার হাগের সঙ্গে ১৫ বছরের সংসার ভাঙার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন, সেই অভিজ্ঞতাও জানিয়েছেন সেলিনা। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে বিবাহ বার্ষিকীর উপহার পাওয়ার প্রত্যাশা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তার বদলে হাতে আসে বিচ্ছেদের নোটিশ। সেলিনা লেখেন, ‘এক বছর আগে, একটি সুটকেস নিয়ে মুম্বাইয়ে ফিরেছিলাম। তাতে ছিল প্রয়োজনীয় নথি, প্রয়াত মায়ের শাড়ি আর একরাশ যন্ত্রণা।’

অভিনেত্রীর দাবি, মামলার প্রথম শুনানিতে বিচারক সমঝোতার মাধ্যমে বিচ্ছেদের জন্য নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন। সেই সুযোগে সন্তানদের কথা বিবেচনা করে স্বামীর কাছে শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হওয়ার অনুরোধ জানান তিনি। সেলিনার কথায়, ‘আমি কথা দিয়েছিলাম, ওর অত্যাচার ও মানসিক যন্ত্রণার কথা আদালতে বলব না। সন্তানদের কথা ভেবে যেন শান্তিপূর্ণভাবে আলাদা হয়ে যাই, এটুকুই চেয়েছিলাম।’

কিন্তু আইনি খরচ চালানোর সামর্থ্য নিয়ে কথা বলার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ তার। সেলিনার দাবি, পিটার তাকে আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। অর্থের অভাব হলে পরিচারিকার কাজ করার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।

অভিনেত্রীর অভিযোগ, সন্তানদের তার বিরুদ্ধে প্রভাবিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ মা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে অস্ট্রিয়ার প্রতিবেশীদের সহায়তায় রাত ১টার দিকে বাড়ি ছাড়েন বলে জানিয়েছেন সেলিনা। বলিউড অভিনেত্রী লারা দত্তও তার সঙ্গে ঘটে চলা পরিস্থিতির সাক্ষী ছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

সন্তানদের যৌথ অভিভাবকত্ব নিয়ে এখনো আইনি লড়াই চলছে বলে জানিয়েছেন সেলিনা। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা ছাড়ছেন না তিনি। অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘তবু আমি ন্যায়বিচারের অপেক্ষা করব। এই একা মা লড়াই চালিয়ে যাবে।’

সূত্র: অনন্দবাজার অনলাইন