September 23, 2026, 6:31 am
শিরোনাম:
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা খুবির সাবেক দুই শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার বাগেরহাটের আহাদ হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার বাংলাদেশের সঙ্গে সব দ্বিপক্ষীয় ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী ভারত ট্রেনে অগ্নিসংযোগের দায় রিজভীর বক্তব্যকে ভিত্তিহীন নিন্দা জামায়াতের সকল প্রকার জ্বালানি তৈলের মূল্যবৃদ্ধি অসময়োচিত, অসংবেদনশীল স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে ইসির সংলাপ স্থগিত ‘রিটেনে পাস করার পর অ্যাডমিট কার্ড নিয়া যাইবা, ফোন কইরা দেব’-ফজলুর রহমান তেরখাদায় সড়ক অগ্রাধিকার ও তথ্য যাচাইকরণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কেশবপুর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

সন্ধ্যার সময়ে ঘাটতি ১ হাজার ৮৪৮ মেগাওয়াট রাতে বেড়েছে লোডশেডিং

Reporter Name

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গতকাল সোমবার দিনভর প্রচণ্ড গরমের পর সন্ধ্যায় বেড়েছে বিদ্যুতের চাহিদা। সেই সঙ্গে বেড়েছে লোডশেডিংও। সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ ঘাটতি দেড় হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় সর্বোচ্চ এক হাজার ৮৪৮ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়। রাত ৮টা ও ৯টায়ও ঘাটতি ছিল যথাক্রমে এক হাজার ৫৯২ এবং এক হাজার ৫৭২ মেগাওয়াট। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায়ও সন্ধ্যার পর একাধিকবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া গেছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সোমবার রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৭ হাজার ৩৩৯ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সাবস্টেশন প্রান্তে সরবরাহ হয়েছে ১৫ হাজার ৭৬৭ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি ছিল এক হাজার ৫৭২ মেগাওয়াট। সন্ধ্যার আগে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হয়। বিকেল ৩টায় লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৫৫৫ মেগাওয়াট। এক ঘণ্টা পর তা বেড়ে হয় এক হাজার ৭৭১ মেগাওয়াট। বিকেল ৫টায় কিছুটা কমে এক হাজার ৩৫৭ মেগাওয়াট হলেও সন্ধ্যা ৬টায় আবার এক হাজার ৮৭ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল। সন্ধ্যা ৭টায় চাহিদা ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটের বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৫ হাজার ৬২০ মেগাওয়াট। তখন ঘাটতি ছিল এক হাজার ৫২০ মেগাওয়াট।

রোববারের তুলনায় অবনতি এক দিনের ব্যবধানেই বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ছিল ৪১৯ মেগাওয়াট। রাত ৭টায় ২৯৯, রাত ৮টায় ২৪৯ এবং রাত ৯টায় মাত্র ২২০ মেগাওয়াট ঘাটতি ছিল। রাত ১০টা ও ১১টায়ও ঘাটতি ছিল যথাক্রমে ২১৫ ও ২২২ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঘাটতি দাঁড়ায় এক হাজার ৮৪৮ মেগাওয়াট। অর্থাৎ একই সময়ে এক দিনের ব্যবধানে লোডশেডিং বেড়েছে প্রায় সাড়ে চার গুণ। রাত ৮টায় আগের দিনের তুলনায় ঘাটতি বেড়েছে ছয় গুণের বেশি। রাত ৯টায় বেড়েছে সাত গুণেরও বেশি।

তবে সোমবার দিনের প্রথম ভাগে পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক ছিল। দুপুর ১২টায় চাহিদা ছিল ১৫ হাজার ৩০ মেগাওয়াট, সরবরাহ ১৪ হাজার ৯২৪ মেগাওয়াট। তখন ঘাটতি ছিল মাত্র ১০৬ মেগাওয়াট। দুপুর ১টায় তা বেড়ে ২৯১ এবং দুপুর ২টায় ৭১৯ মেগাওয়াট হয়। এরপর বিকেল থেকে ঘাটতি দ্রুত বাড়তে থাকে। গ্যাস সরবরাহ সোমবার দুপুর ২টায় দেশে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল দুই হাজার ৫৯১ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে দেশীয় সরবরাহ হয়েছে গ্যাস এক হাজার ৫৮৮ এবং এলএনজি থেকে এক হাজার ৩ মিলিয়ন ঘনফুট।