September 21, 2026, 5:25 pm
শিরোনাম:
কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন ডুমুরিয়া থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবা, গাঁজাসহ গ্রেফতার -২ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, চবি ছাত্রদল নেতাকে শোকজ বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মেসির বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন ডি মারিয়া চার দিনের রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল, প্রথম স্ত্রীর একদিন হিমাগারে পড়ে আছে আলু বাড়ছে লোকসানের বোঝা কেশবপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত ডুমুরিয়ায় নিজ বাড়ির বারান্দায় যুবককে কুপিয়ে জখম

বটিয়াঘাটায় দুই বছর ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা

Reporter Name

মো. ইমরান হোসেন, বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা উপজেলায় সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্যবই পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে। প্রায় দুই বছর ধরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বই পরিবহনের জন্য নির্ধারিত অর্থ তারা পাচ্ছেন না। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব অর্থে বই পরিবহনের ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ে মোট ৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর সরকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য পাঠ্যবই সরবরাহ করে। এসব বই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিতে পরিবহন ব্যয় হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এ ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত পরিবহন ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে ওই অর্থ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

ভুক্তভোগী কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান, বই পরিবহন ভাতা পাওয়ার বিষয়ে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানকেও অবহিত করা হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। এদিকে কয়েকজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নামে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ২ হাজার ৫০০শত থেকে ৩ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করলেও তাদের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব অর্থ আদায়ের পর প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো হিসাব দেওয়া হয় না বলেও কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় বই আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার নিজস্ব অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, গত দুই বছরের বকেয়া বই পরিবহন ভাতা দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে ক্রীড়া কার্যক্রমের নামে আদায় করা অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট খাতে যথাযথভাবে ব্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার না দিলে আমি কোথা থেকে দেবো। শিক্ষকদের অভিযোগ ও ক্রীড়া কার্যক্রমের নামে অর্থ আদায়ের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি ও বিষয়টি এরিয়ে যান।