September 20, 2026, 4:14 pm
শিরোনাম:
বান্দরবানে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পের কাজ সন্তোষজনক: দুদক সাতক্ষীরার সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার বটিয়াঘাটায় মোটর চুরির ঘটনার কথাকাটাকাটির জেরে যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ বটিয়াঘাটায় দুই বছর ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা কেশবপুরে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সুলতানা আহমেদ এর মতবিনিময় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে বড় নিয়োগ, পদ ৩০১টি ভারতের কাছে হেরে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ রূপায়ণ সিটি ঘুরে গেল আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল লং মার্চে যাওয়ার পথে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম মাতৃত্বের পর চেহারা নিয়ে কটাক্ষ, মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

বটিয়াঘাটায় দুই বছর ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা

Reporter Name

মো. ইমরান হোসেন, বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা উপজেলায় সরকারি বিনামূল্যের পাঠ্যবই পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকদের পক্ষ থেকে। প্রায় দুই বছর ধরে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বই পরিবহনের জন্য নির্ধারিত অর্থ তারা পাচ্ছেন না। ফলে অনেক প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব অর্থে বই পরিবহনের ব্যয় বহন করতে হচ্ছে। উপজেলা মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ে মোট ৩৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, প্রতিবছর সরকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে বিতরণের জন্য পাঠ্যবই সরবরাহ করে। এসব বই সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পৌঁছে দিতে পরিবহন ব্যয় হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এ ব্যয়ের জন্য নির্ধারিত পরিবহন ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে ওই অর্থ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

ভুক্তভোগী কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান, বই পরিবহন ভাতা পাওয়ার বিষয়ে তারা একাধিকবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেছেন। বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানকেও অবহিত করা হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি বলে তাদের অভিযোগ। এদিকে কয়েকজন শিক্ষকের পক্ষ থেকে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নামে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে ২ হাজার ৫০০শত থেকে ৩ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করলেও তাদের কাছ থেকেও অর্থ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এসব অর্থ আদায়ের পর প্রতিষ্ঠানগুলোকে কোনো হিসাব দেওয়া হয় না বলেও কয়েকজন শিক্ষক দাবি করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি বই পরিবহন ভাতা না পাওয়ায় বই আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার নিজস্ব অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। এতে আর্থিকভাবে সংকটে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, গত দুই বছরের বকেয়া বই পরিবহন ভাতা দ্রুত পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে ক্রীড়া কার্যক্রমের নামে আদায় করা অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ ও সংশ্লিষ্ট খাতে যথাযথভাবে ব্যয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকার না দিলে আমি কোথা থেকে দেবো। শিক্ষকদের অভিযোগ ও ক্রীড়া কার্যক্রমের নামে অর্থ আদায়ের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি ও বিষয়টি এরিয়ে যান।